Saturday, 6 December 2014

নারীর বুদ্ধি কমে লিপস্টিকে !


সাজগোজ যতোই হোক অপূর্ণ থেকে যায় ঠোঁট না রাঙালে। নরম কোমল সে ঠোঁটের সৌন্দর্য বাড়াতে নারীর দারুন নির্ভরতা লিপস্টিকে। ইচ্ছামতো রং আর আদ্রতা ধরে রাখতে লিপস্টিকের জুড়ি মেলা দায়। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘লিপস্টিক ব্যবহারে নারীর বুদ্ধি কমে যেতে পারে। মানুষের আচরণ ও শেখার ক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ, লিপস্টিকে থাকে ক্ষতিকারক সীসা’।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা ঠোঁট রাঙানোর এই পণ্যটি নিয়ে গবেষণা চালান। সম্প্রতি পরিবেশ বিষয়ক জার্নাল এনভায়রনমেন্টাল হেলথ পারসপেকটিভ গবেষণার প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অকল্যান্ডের ১২ জন তরুণীর ২২টি ব্র্যান্ডের লিপস্টিক ও লিপগ্লস সংগ্রহ করে ওই গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় ওই ২২ ব্র্যান্ডের মধ্যে ১২টির লিপস্টিক ও লিপগ্লসে সীসার উপস্থিতি পাওয়া যায়। গবেষকরা আরও বলেন, লিপস্টিকে খুব কম মাত্রার সীসা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সামান্য এই সীসা জমতে জমতে একদিন মানুষের বুদ্ধি ও আচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়াও এটি মানসিক স্থিতির উপরেও খারাপ প্রভাব ফেলে। বিশেষত গর্ভবতীরা সীসাযুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করলে গর্ভজাত সন্তানের ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা পরামর্শ দেন, লিপস্টিক বা লিপগ্লস ব্যবহারের আগে এর উপাদান সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেয়া উচিৎ।

জেনে নিন ,যে খাবারগুলো দাঁতকে সাদা করে


জেনে নিন ,যে খাবারগুলো দাঁতকে সাদা করে
ব্ল্যাক কফি, রেড ওয়াইন এগুলো আপনার দাঁতের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেয়। রেডবুক ম্যাগাজিন এমন ১০টি খাবারের কথা জানিয়েছে যা আপনার দাঁতকে করবে ঝকঝকে উজ্জ্বল।
পেঁয়াজ
অনেকেই জানেন না পেঁয়াজ দাঁতের জন্য ভীষণ উপকারী। এর মধ্যে আছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক। আর একটি বিষয় হলো পেঁয়াজ স্বচ্ছ। তাই এটি খেলে দাঁতে কোন দাগ হয় না। চিকিৎসকরা ঠাট্টা করে বলে থাকেন কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার পর মুখের গন্ধ দূর করতে বেশিরভাগ মানুষ দাঁত মাজেন। ফলে দাঁত ঝকঝকে না হয়ে পারে না।
গাজর
আপেলের মতই কাঁচা গাজর দাঁতের জন্য ভীষণ উপকারী। গাজর খেলে দাঁতের ফাঁকে ঢুকে থাকা খাদ্যকণা বেরিয়ে আসে। এছাড়া তা দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
বাদাম
শক্ত খাবার চিবিয়ে খেলে আপনার দাঁতের ক্ষয় পূরণ হয় এবং দাঁতকে শক্ত করে। বিকেলের নাস্তায় আপনি যদি কয়েকটি বাদাম খান, তবে তা আপনার দাঁতকে ঝকঝকে করতে সাহায্য করে।
আপেল
আপেলে কামড় দেয়ার সাথে সাথে একটা বড় ধরনের আওয়াজ হয়। এটা কারো জন্য বিরক্তির কারণ হলেও দাঁতের জন্য কিন্তু দারুণ উপকারী। এভাবে কামড়ে যেসব খাবার খাওয়া যায় তা মাড়ির জন্য ভীষণ উপকারী। এছাড়া আপেল খাওয়ার সময় যে পরিমাণ লালা নিঃসরণ হয় তাতে মুখের মধ্যকার অনেক ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস হয়।
ব্রকোলি
কেউ যদি দিনের বেলা ব্রকোলি খায় তাহলে তা দাঁতের গায়ে লেগে থাকে। ফলে ব্রাশ করলে খুব ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার হয়।

পনির
শক্ত পনিরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। এটি দাঁত ও মাড়িকে শক্তিশালী করে। তবে সাদা পনির খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা। ফলে দাঁতে কোন দাগ হবে না।
পানি
বেশি পরিমাণ পানি পান করলে আপনার মুখ পরিষ্কার থাকবে। তবে রেড ওয়াইন বা ব্ল্যাক কফি কিন্তু আপনার দাঁতে দাগ তৈরি করবে। তাই এগুলো খাবার পর প্রতিবার একবার পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা। আর সোডা মেশানো পানি খুব বেশি না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ এতে এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দুধ
দুধ দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। কারণ এতে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁতকে শক্তিশালী করে। এনামেলে শক্তি বৃদ্ধি করে দাঁতকে সাদা ও উজ্জ্বল করে।
কমলালেবু
এই ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যাসিড রয়েছে, যা দাঁতের দাগ পরিষ্কার করে। এটি দাঁতকে উজ্জ্বল করে। তবে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি হলে তা দাঁতের উপরিভাগে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। তাই পরিমাণ মত কমলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা। এদের প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা দাঁতের জন্য উপকারী।
স্ট্রবেরি
মনে হতে পারে লাল রঙের ফলটি কি করে দাঁত সাদা করতে পারে! পারে, কারণ স্ট্রবেরির মধ্যে আছে ম্যালিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড আপনার দাঁতকে সাদা করে বলে জানিয়েছেন দন্ত চিকিৎসকরা।

Sunday, 30 November 2014

জেনে নিন , খুশকি দূর করার কার্যকরী ৫ টি ঘরোয়া উপায় !


ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে আবহাওয়ার কারণেই চুলে খুশকির উপদ্রব অনেক বেড়ে যায়। বিশেষ করে শীতকালে কমবেশি সকলেই খুশকির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এর মূল কারণ হচ্ছে রুক্ষ আবহাওয়া এবং পরিবেশের ধুলোবালি যা মাথার ত্বকে খুশকির উপদ্রব বাড়ায়।
তবে খুশকির উপদ্রব দ্রুত দূর করার রয়েছে বেশ কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায়। একটু সময় বের করে নিয়ে এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করলে মুক্তি পাবেন যন্ত্রণাদায়ক খুশকির হাত থেকে।
১) বেকিং সোডার ব্যবহার
মাথা ভালো করে পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন। এরপর বেকিং সোডা আঙুলের ডগায় লাগিয়ে পুরো মাথার ত্বকে ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর চুল পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু দেবেন না। পরের দিন শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলবেন। সপ্তাহে ১ বার ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
২) নারকেল তেল ও লেবুর রসের ব্যবহার
৩ টেবিল চামচ নারকেল তেল ও ২ টেবিল চামচ লেবুর রস একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। ২০-২৫ মিনিট চুলে রেখে সাধারণভাবে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহারে দ্রুত খুশকির হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
৩) সাদা ভিনেগারের ব্যবহার
সাদা ভিনেগার পুরো চুলে ও মাথাত ত্বকে তেলের মতো করে লাগিয়ে নিন। একটু বেশি করে লাগিয়ে নেবেন মাথায়। একটি তোয়ালে দিয়ে পুরো মাথা পেঁচিয়ে সারারাত রাখুন। পরের দিন সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু করে। সপ্তাহে ২ বার করুন, খুশকি দ্রুত দূর হবে।
৪) অ্যাসপিরিন ট্যাবলেটের ব্যবহার
৩ টি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট গুঁড়ো করে নিন। ১ টেবিল চামচ ভিনেগারে এই ট্যাবলেট গুঁড়ো গুলিয়ে নিয়ে মাথার ত্বকে ঘষে লাগিয়ে নিন। দেড় ঘণ্টা মাথায় রেখে মিশ্রণটি ধুয়ে ফেলুন পানি দিয়ে। খুশকির সমস্যা দ্রুত গায়েব হয়ে যাবে।
৫) মারাত্মক খুশকির সমস্যার জন্য মেথির ব্যবহার
মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে বেটে নিন ভালো করে। ছেঁকে নেয়া পানি ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ৩-৪ ঘণ্টা রেখে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা পানি দিয়ে সব শেষে চুল ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে ২ বার করুন। অনেক বেশি খুশকির সমস্যা থাকলেও তা দূর হয়ে যাবে /

Friday, 28 November 2014

জেনে নিন, মজাদার ফুলকপির কিছু স্বাস্থ্য গুণাবলি

শীতের অন্যতম মজার সবজি হল ফুলকপি। দারুণ মজার এই ফুলকপি আমাদের অনেকেরই খুব পছন্দের সবজি এবং এর স্বাস্থ্য গুনাগুণও অনেক। সবজি ভাজি থেকে শুরু করে মাছ ভুনা, সবজি খিচুড়ি, পাকোড়া, নুডল, সালাদ ইত্যাদি নানাবিধ খাবারে ফুলকপির ব্যবহার করে থাকি আমরা। শীতের এই মজাদার সবজি এখন অবশ্য শীত শুরু হওয়ার আগেই বাজারে পাওয়া যায়। তাই এই সময়টিতে ফুলকপির চাহিদাও থাকে অনেক। চলুন তাহলে আজ জেনে নিই এই মজাদার সবজির কিছু স্বাস্থ্য গুণাবলি সম্পর্কে।
১। ফুলকপি সম্পূর্ণ ফ্যাটমুক্ত ও সোডিয়াম মুক্ত একটি সবজি। ক্রুসীফেরাস জাতীয় সবজি যেমন ব্রকলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি এগুলো আমাদের দেহে ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে।
২। ফুলকপির পুষ্টিকর উপাদান যেমনঃ ভিটামিন B1 (থায়ামাইন), B2 , B3 থেকে (নিয়াসিন), B5 (pantothenic অ্যাসিড), বি 6 (পাইরিডক্সিন) এবং B9 (সবুজ শাকসজীতে প্রাপ্ত অ্যাসিড) এই সমস্ত ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ আমাদের দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ফুলকপিতে আরও আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি যা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
৩। ফুলকপির পটাশিয়াম উপাদান আমাদের দেহের মজবুত পেশি ও হাড় উন্নয়নে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।
৪। ফুলকপির আইসোথায়োসায়ানেট উপদান আমাদের দেহে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি দমন করে।

৫। ফুলকপির শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের ভিটামিন-সি ও ক্যারটিনয়েড উপদান আমাদের দেহকে র‍্যাডিকাল ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে।
৬। ফুলকপির নানা উপাদান আমাদের দেহে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দ্বারা সৃষ্ট রোগ কার্ডিওভাসকুলার এবং ক্যান্সার দমন করে থাকে। তাছাড়া ফুলকপি আমাদের দেহের ফুসফুস, স্তন, কোলন এবং আরও নানাবিধ ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে।
৭। ফুলকপিতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-কে ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা আমাদের দেহের জ্বালা-পোড়া, ব্যথা দূর করে। প্রতিদিন ফুলকপির ব্যবহারে আমাদের দেহের অতিরিক্ত ওজন সমস্যা, ডায়াবেটিস, পেটের সমস্যা, আলসারটিভ কোলাইটিস ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যা দূর করে।
৮। ফুলকপি আমাদের দেহের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সমস্যা হ্রাস করে এবং দেহের সঠিক রক্তসঞ্চালনের রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।
৯। ফুলকপিতে আছে প্রচুর পরিমানে গ্লুকোসিনোলেট যা আমাদের দেহে ডিটক্সিফিকেশন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখে।
১০। ফুলকপির এলিসিন উপাদান আমাদের হার্টের সুরক্ষায় কাজ করে, স্ট্রোক হওয়ার সম্ভবনা রোধ করে, ফুলকপির ভিটামিন-সি আমাদের দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

https://www.facebook.com/pages/Boys-and-Girls-Beauty-Tips/977335692293810

জেনে নিন , ছেলেদের চুল পড়া রোধে ৬টি যত্ন !

কর্মব্যস্ত পুরুষদের উচিৎ সবসময় শরীরের পাশাপাশি চুলগুলোরও যত্ন নেওয়া। কারণ পুরুষদের অনেক সময় ধরে বাইরে থাকতে হয় এবং বাইরের ধুলো-বালি, রোদ চুলের অনেক ক্ষতি করে।
এবং এতকিছুর পর সঠিক যত্নের অভাবে চুল পড়তে শুরু করে এবং ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্যটাই মাটি হয়ে যায়। তাই শত ব্যস্ততার ফাঁকে সময় করে হলেও চুলের যত্ন নেয়া খুব জরুরী। জেনে নিন পুরুষের চুল পড়া রোধে যে ৬টি যত্ন নেওয়া জরুরি।
১। সপ্তাহে একদিন গরম খাঁটি নারিকেল তেলের সঙ্গে ভিটামিন “ই” ক্যাপসুল মিশিয়ে চুলে ম্যাসেজ করতে পারেন। (ক্যাপসুল ফুটো করে ভেতরের নির্যাস বের করে নেবেন)

২। চায়ের লিকার খুব ভালো কন্ডিশনারের কাজ করে। পরিষ্কার পানিতে চা ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে তা ব্যবহার করুন শ্যাম্পু করার পর। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৩। মাসে ২ বার ডিমের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল হবে সুন্দর ও মসৃণ।
৪। চুল যেমনই হোক তেল ম্যাসেজ চুলের জন্য খুব উপকারী। সপ্তাহে ২ দিন তেল ম্যাসেজ করে, একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে চিপে পানি ফেলে নিন তারপর মাথায় গরম তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখুন।
৫। আপনার ব্যবহার করা চিরুনি অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না। চিরুনি সবসময় পরিষ্কার রাখুন।
৬। হেয়ার স্প্রে, জেল খুব বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।

Wednesday, 26 November 2014

জেনে নিন পেঁয়াজের ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা



পেঁয়াজ ছাড়া আমাদের একদিনও চলেনা। ভাত রান্না বাদে যেকোনো রান্নায় পেঁয়াজ ছাড়া আমাদের চলে না। শুধু রান্নার কাজেই নয় পেঁয়াজের রয়েছে আরও অনেক গুণ। পেঁয়াজ শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না সেই সাথে আমাদের দেহের অনেক উপকার করে থাকে। চলুন তবে আজকে জেনে নেয়া যাক পেঁয়াজের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।
১। পেঁয়াজে অবস্থিত ফাইটোকেমিক্যাল (ভিটামিন, প্রোটিন, মিনারেল) আমাদের দেহে ভিটামিন সি এর যোগান দিয়ে থাকে ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২। পেঁয়াজে বিদ্যমান ক্রোমিয়াম আমাদের দেহে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৩। শত শত বছর ধরেই পেঁয়াজ আমাদের বুকের জ্বালাপোড়া ও যেকোনো ধরণের ইনফেশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৪। অনেকেই খবারের সাথে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পছন্দ করেন যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। কাঁচা পেঁয়াজ আমাদের দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে ও আমাদের হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে।
৫। পেঁয়াজের কিউরেকটিন আমাদের দেহে ক্যান্সার কোষ গঠন প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৬। যদি মৌমাছি দেহের কোনো স্থানে কামড় দিয়ে থাকে তাহলে, সেই স্থানে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে দিন দেখবেন জ্বালাপোড়া কমে যাবে।
৭। পেঁয়াজে আছে এমন উপাদান যার জন্য দেহে গ্যাস্ট্রিক আলসার হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
৮। পেঁয়াজের সবুজ পাতা (পেঁয়াজ পাতা) গুলোতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-এ। যা আমাদের চোখের জন্য বেশ উপকারী।

জেনে নিন , সবুজ আপেলের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা !



আপেলের গুনাগুন সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এই সুস্বাদু ফল আমাদের সবারই খেতে কমবেশি ভালো লাগে এবং নারী-পুরুষ সবার জন্যই আপেল খাওয়ার উপকারিতা অনেক বেশি। ডাক্তারদের মতামত অনুযায়ী প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না খুব একটা। আপেল সাধারণত দুই প্রকারের হয়ে থাকে, লাল ও সবুজ। লাল আপেলের গুণাবলি সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। কিন্তু সবুজ আপেলের বিশেষ গুণগুলো সম্পর্কে হয়তো অনেকেরই ধারনা নেই। তাই চলুন আজ জেনে নিই আমাদের দেহের সুস্থতায় সবুজ আপেলের গুনাবলি সম্পর্কে কিছু তথ্য।
সবুজ আপেলে আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার
সবুজ আপেলের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপদান হল ফাইবার, যা সবুজ আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে। সবুজ আপেলের এই ফাইবার উপাদান আমাদের পেটের যে কোন সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে ও পরিপাক প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে হতে সহায়তা করে।
কোলন ক্যানসার রোধ করে
সবুজ আপেলের ফাইবার উপদান আমাদের দেহকে কোলন ক্যানসার রোগ হওয়া থেকে রক্ষা করে।
ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই
সবুজ আপেল আমাদের পেটের সুস্থতায় অনেক সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া সবুজ আপেলের মধ্যে কোন ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই যা আমাদের দেহের জন্য খারাপ। তাই আপনি নিশ্চিন্তে ডায়েট করতে পারেন সবুজ আপেল খেয়ে।
কোলেস্টেরল মাত্রা খুব কম
বলাই হয়েছে কে সবুজ আপেলে কোন ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নেই এবং যতটুকু আছে তাও মাত্রায় খুব কম। যেহেতু সবুজ আপেলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার উপাদান আছে তা দেহের কোলেস্টেরল মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে।
সহজেই হজম হয়
আপনি খুব ভারী কোন খাবার খেয়েছেন। চিন্তা করছেন হজম হবে কিনা ঠিকমত। কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই ,আপনি একটি সবুজ আপেল খেয়ে নিন। কারণ সবুজ আপেলে আছে এনজাইম উপাদান যা খুব দ্রুত খাদ্য হজম করতে সাহায্য করে।
লিভার ও নালীর সমস্যা রোধ করে
সবুজ আপেল আমাদের দেহের লিভারের যে কোন সমস্যা দূর করে ও পাশাপাশি খাদ্য নালী, পরিপাক নালী ও অন্যান্য নালীর সমস্যা দূর করে।
রোগ প্রতিরোধ করে
সবুজ আপেল ডায়রিয়ার সমস্যা রোধ করে ও পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য ও বাতের সমস্যা দূর করে এবং বদ হজমের সমস্যাও দূর করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমূহ
সবুজ আপেলে আছে ফ্লেভনয়েড ও পলিফেনল যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। আর এই উপদান দুটি আমাদের দেহের DNA এর ক্ষতি রোধ করে এবং ক্যানসারও রোধ করে।
ক্ষুধা নিয়ন্ত্রন করে
সবুজ আপেলের জৈব এসিড উপাদান আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রনে রাখে। তাই যদি আপনার বার বার ক্ষুধা লেগে থাকার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে সবুজ আপেল খেয়ে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন।
দেহে শক্তি বৃদ্ধি করে
সবুজ আপেল আমাদের দেহে শক্তি যোগায়। সবুজ আপেলের অন্যতম উপদান কার্বোহাইড্রেট যা আমাদের দেহের জন্য খুব উপকারি। বিশেষ করে যারা খেলাধুলা করেন, কঠোর পরিশ্রম করেন তারা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ আপেল অবশ্যই রাখুন।


Tuesday, 25 November 2014

জেনে নিন, ব্যায়াম না করেই স্লিম হবার ২টি সহজ উপায়!


ডায়েট ও ব্যায়াম না করেই ওজন কমানো কীভাবে সম্ভব সেটাই ভাবছেন, তাই না? কিন্তু চাইলে অনেক কিছুই সম্ভব। আমরা অনেকেই অনেক কিছু করে থাকি ওজন কমানোর জন্য। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য না খেয়ে কঠোর ডায়েট করে, ব্যায়াম করে কত কষ্টটাই না করতে হয় আমাদের। কিন্তু আমরা চাইলেই তিনবেলা পরিমাণ মত খেয়ে ও ব্যায়াম না করে শুধু মাত্র ২টি জাদুকরী পানীয় দিয়েই ওজন কমাতে পারি। চলুন আজ জেনে নিই কীভাবে শুধু মাত্র পানীয় দিয়েই ওজন কমানো সম্ভব।
প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন
আমাদের দেহে পানি উপকারিতা অনেক বেশি। প্রতিদিন ৭-৮ গ্লাস তরল খাবার (পানি হলে সবচাইতে ভালো) শুধু আমাদের সুস্থই রাখেনা, সাথে আমাদের দেহের ত্বক ভালো রাখে এবং ওজনও রাখে নিয়ন্ত্রণে। পানি আমাদের দেহের হজম ক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং আপনি যখন কাজ করেন তখন ঘামের মাধ্যমে আপনার শরীর থেকে ঘামের পাশাপাশি চর্বিও খরচ হয়। তাই বেশি করে পানি পান করুন। তাছাড়া প্রচুর পরিমানে পানি পান করলে তা আপনার বার বার ক্ষুধা লাগার সমস্যাও দূর করবে। অন্যদিকে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হবে, ফলে শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না।
গ্রিন টি
পানি একমাত্র জিনিস নয় যা হজম ক্রিয়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন ৪ কাপ গ্রিন টি পানের ফলে প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ৪০০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় করা সম্ভব। এবং গ্রিন টি-তে আছে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন গ্রিন টি অবশ্যই পান করুন।

Monday, 24 November 2014

শীতে পায়ের গোড়ালি সুরক্ষিত রাখার সহজ উপায় !

: শীতকালে সবাই একটি পরিচিত সমস্যায় ভোগেন আর তা হল পায়ের গোড়ালি ফেটে যাওয়া। কমবেশি অনেকেই এই সমস্যার ভুক্তভোগী

। শীতকালে আবহাওয়া অনেক ঠাণ্ডা থাকে এবং এই কারণে আমাদের শরীরে ময়েশ্চারের অভাব দেখা দেয় এবং পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন কমে যায়।
এর ফলে পায়ের গোড়ালির ত্বক শুষ্ক ও মোটা হয়ে যেতে শুরু করে, সেখানে মরা কোষ জমতে শুরু করে। ফলে গোড়ালি ফাটা দেখা দেয়। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আজ দেয়া হল কিছু সহজ সমাধানের উপায়।
১। পায়ের ফাটা অংশে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে পরিষ্কার কোন নরম কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখুন। মধুও দিতে পারেন ফাটা অংশে। এবং ফাটা জায়গায় ময়লা হলে লবন ও ঘিয়ের মিশ্রণ দিতে পারেন, ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
২। হালকা কুসুম গরম পানিতে আধ চামচ নারিকেল তেল ও সামান্য লবন মিশিয়ে পা ৫ মিনিট তাতে ডুবিয়ে রাখুন। তারপর দুধের সর, আটা, ও গ্লিসারিন মিলিয়ে পেস্ট তৈরি করে পায়ে লাগিয়ে নিন ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।
৩। হালকা কুসুম গরম পানিতে সামান্য শ্যাম্পু দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর পায়ের গোড়ালি ব্রাশ দিয়ে ধীরে ধীরে ঘষুন। পা ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুছে ফাটা অংশে একটু ভারী করে ভেসলিন লাগিয়ে নিন।
৪। গ্লিসারিন ও গোলাপ জল মিশিয়ে পায়ের গোড়ালিতে লাগান, গোড়ালি নরম থাকবে।


Sunday, 23 November 2014

জেনে নিন , তেজপাতার গুণ !

নিউজ ডেস্ক : সাধারণত রান্নায় স্বাদ ও সুগন্ধ আনতে তেজপাতা ব্যবহার করা হয়। তেজপাতা শুধু রান্নাতেই জাদু আনে না, শরীরের নানা রোগের সমাধান এক নিমেষে সারিয়ে তুলতে এর গুণ অপরিহার্য।
১. অনেক সময় অনেকের ঘন ঘন তেষ্টা পায়। সেক্ষেত্রে ১ লিটার পানি তেজপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে নিয়ে ২-৩ বার খান। দেখবেন বার বার তেষ্টা পাচ্ছে না।
২. যারা খুব রোগা, তাদের জন্য তেজপাতা খুব উপকারী। চেহারা ফিরিয়ে আনতে তেজপাতা কুচিয়ে, থেঁতো করে ২ কাপ গরম পানিতে ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ছেঁকে নিয়ে ২ বার করে ২ সপ্তাহ খেলে শরীরে জোর আসে, লাবণ্য ফিরে আসে।
৩. দাদ হলে তেজপাতা থেঁতো করে ৪ কাপ জলে সেদ্ধ করে, সেই জল সকাল ও বিকেল খেতে হবে। ৪-৫ সপ্তাহ খেলেই দাদ-হাজা-চুলকানি সেরে যাবে।এছাড়া ওই পানি তুলোতে ভিজিয়ে দাদের জায়গায় দিয়ে মুছে নিলেও কাজ হয়।
৪. অনেক সময় প্রস্রাবের রঙ রক্তবর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে তেজপাতা ২-৩ কাপ গরম জলে ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ছেঁকে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর এই পানি খেলে। প্রস্রাবের রঙ সাদা হয়ে যাবে।
৫. তেজপাতা ত্বক পরিষ্কারের জন্য খুব ভাল। তেজপাতাকে চন্দনের মতো বেটে, স্নানের আগে গায়ে মেখে ঘণ্টা খানেক রাখুন। এরপর স্নান করে নিলে ময়লা উঠে যায়। এছাড়া যাদের গায়ে দুর্গন্ধ থাকে, তাদের সেই সমস্যাও দুর হয়ে যায়।
৬. সর্দিতে গলা বুজে যায় অনেকেরই। সেই সময় জোরে জোরে কথা বললে বা চিৎকার করলে গলা ভেঙে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তেজপাতা থেঁতো করে ৩-৪ বার একটু করে খেলেই হবে।
৭. ফোঁড়া হলে যদি খুব যন্ত্রণা হয়, শক্ত হয়ে যায়, তবে এই অবস্থায় তেজপাতা বেটে ২-৩ বার প্রলেপ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে।
৮. যাদের অতিরিক্ত ঘাম হয়, তার প্রতিদিন এক বার করে তেজপাতা বাটা মেখে আধ ঘণ্টা থাকার পর স্নান করে নিলে বেশি ঘাম হওয়া কমে যাবে। এইভাবে সাত দিন করতে হবে।
৯. তেজপাতা জলে সিদ্ধ করে ছেঁকে ওই পানি কুলকুচি করলে মুখের অরুচি কেটে যায়।
সুত্র – ওয়েবসাইট।

Boys and Girls Beauty Tips ::

DIET CONTROL TIPS :

# প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করা |
মহিলাদের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস (২ লিটার), পুরুষদের জন্য ১২ গ্লাস(৩ লিটার) পানি খেতে হবে| এটি সারাদিনের সব রকমের পানীয়র হিসাব| তবে যারা ব্যায়াম করেন, তারা আরো বেশি পানি পান করবেন|

# রাতের খাবার ঘুমানোর তিন ঘন্টা আগে খেতে হবে| কেন?রাতে ঘুমানোর সময় ক্ষুধা লাগলে কিছু না খাওয়াই ভালো, তবে ননী/ফ্যাট ছাড়া দুধ খেতে পারেন

|
# খাবারে শর্করার পরিবর্তে সবজি ও ফল রাখা, কারণ এগুলোতে আছে প্রচুর ভিটামিন, ফাইবার ও antioxidant.

# সালাদ বেশি বেশি খাওয়া, দুপুর ও রাতের খাবারের সাথে অবশ্যই সালাদ থাকবে|
# মাছ অবশ্যই খেতে হবে, মাংশ কম খেয়ে মাছ বেশি খেলে ভালো | লাল মাংশ : যেমন গরুর মাংশ না খাওয়া ভালো |

# সাদা আটার রুটি না খেয়ে, লাল আটার রুটি খাওয়া| কারণ লাল আটা complex carbohydrate, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী| তেমনি সাদা শর্করা যেমন সাদা চালের ভাত বাদ দিয়ে, লাল চাল খাওয়া ভালো |

# বিনস( যেমন: red kidney beans), কাচা ছোলা এগুলো প্রতিদিন খেতে হবে| কারণ এগুলো তে আছে কম ফ্যাট, এবং cholesterol কমানোর উপাদান | তাছাড়া ভিটামিন বি, potassium, fiber ও আছে এগুলোতে| যা হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় |

# ঘুমানোর আগে দুধ খাওয়া, অবশ্যই ননী বিহীন দুধ |

# প্রতিদিন টক দই খাওয়া, চিনি ছাড়া|

# মহিলাদের জন্য calcium সমৃদ্ধ খাবার : দুধ, টক দই প্রতিদিন খেতেই হবে

# ভাত কম খেয়ে, সবজি, ফল,সালাদ বেশি খাওয়া|

# পরিমিত পরিমানে খাওয়া |

# প্রতিদিনে ৫/৬ বার খাওয়া |

# দুই, তিন ঘন্টা পর পর ২০০/৩০০ ক্যালরি খাওয়া সব চাইতে ভালো অভ্যাস

# সকালের নাস্তা অবশ্যই খাওয়া

# ভাজা পোড়া, বেশি ক্যালরি যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা|

# প্রানিজ আমিষ সবসময় না খেয়ে উদ্ভিজ আমিষ বেশি খাওয়া |কারণ উদ্ভিজ আমিষ এ ফ্যাট কম থাকে |

# প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম snacks হিসাবে খাওয়া, এতে ত্বকের সৌন্দর্য্য বাড়ে, cholesterol কমে|

# প্রতি বার খাবারে আমিষ খেতে হবে পরিমান মত| আমিষ হতে পারে: মাছ, সাদা মাংশ ( মুরগির মাংশ ইত্যাদি) , বিনস, বাদাম, ডাল, পনির, দই ইত্যাদি | কারণ আমিষে শর্করার তুলনায় কম ক্যালরি থাকে, এটা পেট ভরা রাখে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে | এটা muscle গঠনেও সহায়তা করে| পুরুষরা কিন্তু বেশি বেশি আমিষ খাবেন|

# ওজন কমাতে চাইলে চিনি একেবারে বাদ দিতে হবে| মিষ্টি জাতীয়, চিনি যুক্ত খাবার বাদ দিতেই হবে |

# বেশি তেল ও মশলা যুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে| তবে মশলা ভালো, বিভিন্ন রকম মশলার বিভিন্ন গুনাগুন আছে| তবে পরিমানমত দিয়ে রান্না করতে হবে|

# ভাজা, ভুনা নয়, সিদ্ধ, grilled, broiled উপায়ে রান্না করতে হবে|

# খাবারের মেনুতে প্রচুর ফাইবার সমৃধ্য খাবার যেমন: লাল আটা , শাক , বিনস,সালাদ, সবজি, ফল, oats,cornflakes রাখুন| কারণ ফাইবার ওজন কমায়, হজম শক্তি বাড়ায় , এবং cholesterol কমায়| মহিলাদের জন্য ২১-২৫ গ্রাম এবং পুরুষদের জন্য ৩০-৩৮ গ্রাম ফাইবার খেতে হবে প্রতিদিন|

# খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবন না খাওয়া | কারণ অতিরিক্ত লবন শরীরে পানি আনে, blood pressure ও ওজন বাড়ায়| রান্নাতেই অনেক লবন থাকে, বেশি লবন খাবার দরকার নেই|

# সপ্তাহে একদিন নিজের পছন্দের খাবার খাওয়া| এটা খাওয়ার রুচি বাড়িয়ে, একঘেয়েমি কমাবে |

শরীর একরকম খাবারে অভ্যস্ত হলে সেই ডায়েটিং কোনো কাজে আসবে না | এই প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেই, যা অনেকেই ভুল করে| প্রিয় খাবার পরিমান মত খেলে কোনো অসুবিধা নেই, বরং এটা শরীরের জন্য ভালো | সেক্ষেত্রে restaurant এ গেলে পরিমানমত খেতে হবে, একবারে কখনই বেশি খাওয়া যাবে না| যে পরিমান খাবার একজনের জন্য restaurant এ দেয়, তা দুজন, তিনজন ভাগ করে খাওয়া উচিত, কারণ এত বেশি পরিমান একসাথে খাওয়া ঠিক নয়|

http://boysandgirlsbeautytips.blogspot.com/ 
https://www.facebook.com/pages/Boys-and-Girls-Beauty-Tips/977335692293810?skip_nax_wizard=true&ref_type=page_profile_button#

Boys and Girls Beauty Tips


রোদে বাইরে যাওয়ার আগে
বাইরে যাওয়ার আগে সান স্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন
না যেন! ...ছাতা এবং সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
ব্যাগে একটা ছাতা পার্মানেন্টলি রেখেই দিন। যখনই
বাহিরে যাবেন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সূর্যের
আলোতে যাওয়ার জন্য আমরা সান স্ক্রিন ব্যবহার করি তাহলে এ
আলোর ক্ষতিগুলো অনেকটা প্রতিহত করতে পারবো।
মিনি পোস্ট গুলো অবহেলা করবেন না। লাইক দিয়ে একটিভ
থাকুন।